প্রকৃতির রহস্যময়তায় জীবনের গাঢ়তম রূপ ‘আরণ্যক’

পাঠচক্র শেষে জাবি বন্ধুসভার বন্ধুরাছবি: বন্ধুসভা

মেঘাচ্ছন্ন বিকেলের ঠান্ডা আবহাওয়া। সবুজে ঘেরা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চিরাচরিত সুন্দরতম বিকেলের চিত্রগুলোর একটি। ৩ সেপ্টেম্বর এমন স্নিগ্ধ বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার পাঠচক্রে আলোচনা হলো বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরণ্যক’।

বিকেল পাঁচটার মধ্যে বন্ধুরা উপস্থিত হন টিএসসির ১০ নম্বর কক্ষে। শুরুতেই ‘আরণ্যক’ উপন্যাসের পটভূমি বর্ণনা করেন বন্ধু নাফিসা আফরিন। এই বইয়ে লেখক প্রকৃতির নিবিড় রহস্যময়তা, মায়ালোক আর আদিমতায় খুঁজে পেয়েছেন জীবনের গাঢ়তম রূপ; দেখেছেন মানুষের বিচিত্র প্রবণতা আর উপলব্ধির নব রূপায়ণ। অভিনব দৃষ্টিকোণ থেকে অভিজ্ঞতা আর বিশেষণের নতুনত্বে সাজিয়েছেন পুরো কাহিনি।

জাবি বন্ধুসভার পাঠের আসর
ছবি: বন্ধুসভা

উপন্যাসটি পাঠের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন বন্ধু নাঈম রহমান। অন্ত্যজ ও প্রান্তিক মানুষগুলোর সহজ–সরল জীবনযাত্রার দিকটি তাঁকে মুগ্ধ করেছে বলে জানান।
উপন্যাসের প্লট এবং বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করেন সভাপতি সুমাইয়া জামান।

‘আরণ্যক’ উপন্যাসের প্রান্তিক জীবন নিয়ে আলোচনা করেন বন্ধু অরূপা রহমান। প্রত্যন্ত সেই অঞ্চলের দুর্দশার কথা উল্লেখ করে বন্ধু তাসমিয়া দ্রুতি বলেন, ‘প্রান্তিক মানুষদের জনজীবন এতটাই ভয়াবহ যে সামান্য ভাতও তাদের কাছে দুর্লভ ও অমৃত। তারা মাকাইর ছাতু, নুন খেয়ে দিন পার করে।’

পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মামুন আবদুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অনুপ সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল সানি, প্রচার সম্পাদক রেজনান চৌধুরী, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাদিক বাপ্পি, বন্ধু মারিয়া রহমান, অরিত্র গুহ, আনোয়ার হোসেন, সৌমিক ঘোষসহ অনেকেই।

বন্ধু, জাবি বন্ধুসভা