এক বীরের বিদায়, শ্রদ্ধায় গোবিপ্রবি বন্ধুসভা

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ক্যাপ্টেন শেখ ফরিদ আহমেদের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন বন্ধুরা
ছবি: বন্ধুসভা

গোপালগঞ্জের বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ক্যাপ্টেন শেখ ফরিদ আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) বন্ধুসভা। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সেক্টর ৯-এর অধীনে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সন্তানকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে গোবিপ্রবি বন্ধুসভার সদস্যরা তাঁর কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে তাঁর কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন বন্ধুরা।

একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদায় শুধু তাঁর পরিবারের জন্য নয়, জাতির জন্যও বেদনার মুহূর্ত। দেশের স্বাধীনতার জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন, স্বপ্ন ও যৌবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। তাঁদের সাহস, ত্যাগ ও দেশপ্রেমই আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছে। তাঁদের বিদায় মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে কত মানুষের ত্যাগ ও ভালোবাসা জড়িয়ে আছে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ ক্যাপ্টেন শেখ ফরিদ আহমেদের বিদায়ে গোবিপ্রবি বন্ধুসভা গভীরভাবে শোকাহত। দেশের জন্য তাঁর অবদান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে তাঁর ভূমিকা আগামী প্রজন্মের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর চলে যাওয়া বেদনার হলেও তাঁর কর্ম, আদর্শ ও স্মৃতি থেকে যাবে সমাজ ও রাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে।

গোবিপ্রবি বন্ধুসভার স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া সম্পাদক মেহেরাব হাসান খান বলেন, ‘অন্যায়ের সঙ্গে কখনো আপস করা যাবে না। দেশের জন্য যাঁরা জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাঁদের প্রতি বন্ধুসভার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সব সময় ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান ও তাঁদের আদর্শকে ধারণ করে বন্ধুসভা আগামী দিনেও কাজ করে যাবে।’

পরিবেশ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক, গোবিপ্রবি বন্ধুসভা