খুলনা বন্ধুসভার পাঠচক্রে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত ‘লালসালু’ বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, যেখানে ধর্মের অপব্যাখ্যা, অন্ধবিশ্বাস ও গ্রামীণ মানুষের সহজ–সরল মনোবৃত্তিকে কেন্দ্র করে কাহিনি নির্মিত হয়েছে। ৫ ডিসেম্বর বিকেলে জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
সাংগঠনিক সম্পাদক রহমাতুল্লাহর সঞ্চালনায় শুরুতেই বন্ধুরা নিজেদের পরিচয় দেন এবং উপন্যাসের পটভূমি তুলে ধরেন। আলোচনা পর্বে উঠে আসে উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
বন্ধু আসফিয়া জান্নাত বলেন, গ্রামের মানুষকে ভয়, ধমক, অলৌকিকতার গল্প ও ধর্মীয় রীতির অজুহাতে নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে মজিদ। গ্রামের নারীরা বিশেষভাবে মজিদের প্রভাবে পড়ে কখনো ভক্তি, কখনো ভয়ের মাধ্যমে। পরে মজিদ বিয়ে করে রহিমাকে, যার মাধ্যমে সে নিজের প্রভাবকে ফুটিয়ে তোলে।
বন্ধু খোশ নসিব বলেন, উপন্যাসের পূর্ণাঙ্গ রূপ একটি চলচ্চিত্রের মাধ্যমেও তুলে ধরা হয়েছে। গ্রামীণ মানুষের অন্ধবিশ্বাস, ক্ষমতার লোভ, কুসংস্কার ও সামন্তবাদী মানসিকতা—এ বিষয়গুলো নিয়ে উপন্যাসটি দারুণভাবে সমাজে চিত্রায়িত হয়েছে।
পাঠচক্রে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি কাজী মাসুদুল আলম, উপদেষ্টা বনানী আফরোজ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারজানা যুথি, অর্থ সম্পাদক ইমন মিয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দীপু রায়, কার্যনির্বাহী সদস্য হাফিজুর রহমান, বন্ধু সাকিব রেজা, অর্নব মন্ডল, পূজা রায়, আবু হানিফা, রোদেলা আক্তারসহ আরও অনেকে।