চার্লস ডুহিগের ‘দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিট’ বই নিয়ে পাঠচক্রের আসর করেছে কেরানীগঞ্জ বন্ধুসভা। ১৪ অক্টোবর বিকেলে কেরানীগঞ্জ বন্ধুসভার কার্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
বইটিতে ব্যক্তিজীবন, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে অভ্যাসের প্রভাব এবং অভ্যাস পরিবর্তনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। বইটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধারণা ‘হ্যাবিট লুপ’ বা অভ্যাসচক্র। সংকেত, নিয়মিত আচরণ ও পুরস্কার—এই তিন ধাপের মাধ্যমে কীভাবে একটি অভ্যাস গড়ে ওঠে এবং বারবার চর্চার ফলে তা কীভাবে শক্তিশালী হয়, তা ব্যাখ্যা করেছেন লেখক।
পাঠচক্রে বইটির মূল বিষয়বস্তু ও গুরুত্বপূর্ণ ধারণা নিয়ে আলোচনা করেন কেরানীগঞ্জ বন্ধুসভার সভাপতি নাজিউল্লাহ ভূঁইয়া। তিনি বন্ধুদের বইয়ের শিক্ষাগুলো দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখার আহ্বান জানান। তাঁর আলোচনার সূত্র ধরে বন্ধুরা অভ্যাসের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের নানা দিকের সম্পর্ক খুঁজে দেখেন। নিয়মিত বই পড়া, সময়মতো কাজ শেষ করা, পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়া কিংবা অপ্রয়োজনে মুঠোফোন ব্যবহারের মতো অভ্যাস কীভাবে চিন্তা, আচরণ ও জীবনযাপনকে প্রভাবিত করে, তা নিয়ে আলোচনা করেন।
সাধারণ সম্পাদক অর্ণব সাইফুল বলেন, ‘বই পড়ার সার্থকতা শুধু জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং সেই জ্ঞানকে বাস্তব জীবনে কাজে লাগানোর মধ্যেই এর প্রকৃত সাফল্য। “দ্য পাওয়ার অব হ্যাবিট” বইটি আমাদের নিজেদের অভ্যাস সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে শেখায়। আমরা বিশ্বাস করি, ছোট ছোট ইতিবাচক অভ্যাসই একসময় জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। নিয়মিত বই পড়া, মুক্ত আলোচনা ও মননশীল চর্চার মাধ্যমে নিজেদের সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চাই আমরা। সেই প্রত্যয় নিয়েই আমাদের এই পাঠচক্রের আয়োজন।’
পাঠচক্রে আরও উপস্থিত ছিলেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মাহিমন কবিরসহ অন্যান্য বন্ধুরা।
সভাপতি, কেরানীগঞ্জ বন্ধুসভা