বিতর্ক কী, কেন করব এবং বিতর্ক করলে কী উপকার হবে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উদ্যোগে বিতর্ক নিয়ে বিশেষ সেশনছবি: বন্ধুসভা

‘বিতর্ক হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে যুক্তি, তথ্য ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে কোনো বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে মতামত উপস্থাপন করা হয়। বিতর্ক কেবল জয়-পরাজয়ের প্রতিযোগিতা নয়; এটি সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, গবেষণাভিত্তিক যুক্তি উপস্থাপন এবং মুক্ত আলোচনা চর্চার একটি অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম। এই বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা শিক্ষার্থীদের তথ্য বিশ্লেষণের দক্ষতা বৃদ্ধি করে, প্রতিপক্ষের যুক্তি খণ্ডন করার সক্ষমতা গড়ে তোলে এবং আত্মবিশ্বাস ও উপস্থাপনা দক্ষতা উন্নত করে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার উদ্যোগে বিতর্ক নিয়ে বিশেষ সেশনে কথাগুলো বলেন বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও বিতার্কিক সিফাত হোসেন। বিতর্ক কী, কেন করব এবং বিতর্ক করলে কী উপকার হবে—এসব বিষয় নিয়ে তিনি আলোচনা করেন। ২ মে বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সিফাত হোসেন বলেন, ‘বিতর্ক এক বিশাল জগৎ। যেখানে একবার প্রবেশ করলে জ্ঞান, যুক্তি ও অভিজ্ঞতার অগণিত ভান্ডার উন্মোচিত হয়।’

উপদেষ্টা তুহিনুজ্জামান বলেন, ‘জনসমক্ষে কথা বলতে সবাই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না; অনেকের ক্ষেত্রেই এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনসমক্ষে নিজের বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপনের ক্ষেত্রে বিতর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত অনুশীলন—যেমন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলা, মুখের ব্যায়াম এবং ছোট ছোট আলোচনায় অংশ নিলে আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ে।’

সাধারণ সম্পাদক বাঁধন রায় বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ ও সৃজনশীল চিন্তার প্রসারে এমন আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’

সভাপতি সুইটি রানী বলেন, ‘আজকের আয়োজন আমাদের জন্য অত্যন্ত শিক্ষণীয় ও অনুপ্রেরণামূলক ছিল।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রাবন্তী সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ উদ্দিন, প্রচার সম্পাদক শামীম হোসেন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধ ও গবেষণা সম্পাদক নাহিম হাসান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি–বিষয়ক সম্পাদক রায়হান আর রাফি, কার্যনির্বাহী সদস্য জয়নাল হোসেন, বন্ধু মাসুম বিল্লাহ ও মুজাহিদ আমিন।

সভাপতি, রাবি বন্ধুসভা