প্রথম আলোর অনেক জানালার একটা বড় খোলা জানালা বন্ধুসভা। বন্ধুসভা তারুণ্যে পরিপূর্ণ সম্মিলন। প্রথম আলো বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদ প্রকাশিত বার্ষিক ম্যাগাজিন ‘তারুণ্য’র ১১তম সংখ্যা নিয়ে পাঠচক্র করে ভৈরব বন্ধুসভা। ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রথম আলো ভৈরব অফিসে এই পাঠের আসর অনুষ্ঠিত হয়।
সঞ্চালনা করেন পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক মহিমা মেধা। আলোচনায় অংশ নেন সাধারণ সম্পাদক আনাস খান, কার্যনির্বাহী সদস্য প্রিয়াংকা, প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক ও ভৈরব বন্ধুসভার উপদেষ্টা সুমন মোল্লা ও সভাপতি জান্নাতুল মিশু।
‘তারুণ্যের কোনো বয়সসীমা নেই, নেই কোনো কাল। তারুণ্য এক অপার সম্ভাবনা আর আনন্দদায়ী সময়। যখন সময় আসলে থমকে যায়, স্থির হয়ে শুধু আলো ছড়ায়। তারুণ্যকে ধারণ করতে হয়, লালন করতে হয়, পালন করতে হয়। তারুণ্যে মন উদ্বেল হয়, চিত্ত থাকে কোমল, অন্যের তরে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়াতেই তখন অপার আনন্দ। আর এই তারুণ্য ধারণ করেই আলোর দিশা হয়ে বন্ধুসভা ২৭ বছরের যৌবনে তারুণ্যের বার্তা ছড়িয়ে চলেছে। আত্মোন্নয়ন আর সমাজে-রাষ্ট্রের সব ভালোতে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার শপথে বলীয়ান হয়ে পথে চলছে।’
—বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জাফর সাদিকের লেখা এই কথাগুলো উঠে আসে পাঠের আসরের এক ফাঁকে। এ ছাড়া তারুণ্যে প্রকাশিত পাঠচক্র ও ভৈরব বন্ধুসভার জাগরণ নিয়ে লেখাটিও ছিল আলোচনায়।
বন্ধুসভার তরুণেরা মানবিকতা, সততা, দায়িত্ববোধ ও বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধার মতো সঠিক মূল্যবোধ ধারণের শতভাগ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বন্ধুসভার তরুণেরা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, বইমেলা আয়োজন, সাহিত্যচর্চা, সহমর্মিতার কর্মসূচি আয়োজন করে।
বন্ধুরা ছাড়াও এই পাঠচক্রে ভৈরব বন্ধুসভা আয়োজিত গ্রন্থাগার দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কুইজ প্রতিযোগিতার বিজয়ীরাও উপস্থিত ছিল। বিজয়ীরা প্রত্যেকেই ভৈরবের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। সবাই যেন মুদ্রিত বই পড়া ও লেখালেখির প্রতি আগ্রহ বজায় রাখেন—সেই আহ্বান রেখেই পাঠচক্রের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
পাঠাগার ও পাঠচক্র সম্পাদক, ভৈরব বন্ধুসভা