বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

একটা সময় পিয়াস মজিদ যখন বন্ধুদের উদ্দেশে বললেন, ‘এবার তোমরা কথা বলো।’ ব্যস, আর কী লাগে? বন্ধুরা সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে এতটুকুও বিলম্ব করেনি। বন্ধুরা একের পর এক কঠিন সব প্রশ্ন ছুড়ে দিতে শুরু করে দিল কবির উদ্দেশে। কবিই–বা কম যান নাকি? বিশদভাবে সেগুলো বিশ্লেষণ করেছেন সবার কাছে। লেখালেখি, বই পড়া, সাহিত্য চর্চা—কোনো কিছুই বাদ যায়নি আড্ডায়। সব বিষয় নিয়ে বন্ধুরা জানতে চায়।

default-image

কবি যখন কথা বলছিলেন, আমি অবাক নয়নে তাকিয়ে ছিলাম তাঁর মুখমণ্ডলের পানে। এত এত কথা বলছেন, কিন্তু মুখে বিরক্তির কোনো ছাপ নেই। বরং একটু পরপর কবির মুখের হাসি বন্ধুদের মোহিত করেছে। কবির শব্দভান্ডারে কত যে হাজারো শব্দ খেলা করে, সেটা যাঁরাই কবির সঙ্গে আড্ডায় ডুব দিয়েছেন, তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন।

বিনয়ী ও নিরহংকারে মাখামাখি একজন ব্যক্তিত্ব। কথা বলতে বলতে একটা পর্যায়ে গলা শুকিয়ে গেলে চা পানে আবারও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। প্রতিটি বাক্য শ্রুতিমাধুর্যে ভরপুর। চার ঘণ্টা ধরে বন্ধুদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে গেলেন পিয়াস মজিদ।

default-image

আড্ডাটা এমন ভাবে জমে উঠেছিল যে মনে হয়েছিল, শত শত ঘণ্টায়ও বুঝি এ আড্ডা থামবার নয়। কিন্তু সবকিছুর তো একটা সমাপ্তি থেকেই যায়। আমাদের আড্ডারও সমাপ্তি টানতে হয়েছে। পিয়াস মজিদের বলা একটি কথা প্রত্যেক বন্ধুর কাছে আদর্শ হয়ে ধরা দেয়, ‘তোমরা অন্যকে অনুকরণ না করে নিজেই নিজেকে তৈরি করো।’

সাহিত্য সম্পাদক, সিলেট বন্ধুসভা

কার্যক্রম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন