default-image

তাঁর মতো এমন প্রায় শতাধিক মানুষ ত্রাণ নিতে আসেন। ৪৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বলেন, ‘বন্যার কারণে কাজকাম করতে পারতেছি না। বাচ্চা–কাচ্চা না খেয়ে আছে। এহন পানি কিছুটা কমছে। আপনাদের কাছ থেকে চাল-ডাল পেয়ে অনেক খুশি লাগতেছে।’

default-image

এদিন প্রথম আলো ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় ১০০টি বন্যার্ত পরিবারের হাতে খাদ্রসামগ্রী তুলে দিয়েছে প্রথম আলো বন্ধুসভা সিলেট। প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ৫ কেজি চাল, ১ কেজি মসুর ডাল, এ লিটার সয়াবিন তেল, ১ কেজি আটা, ১ কেজি লবণ, ১০০ গ্রাম গুঁড়ামরিচ ও ১০০ গ্রাম গুঁড়াহলুদ। ত্রাণ পেয়ে সবার মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি।

default-image

অপূর্ব সুন্দর এই অঞ্চল এখন হাহাকারে পূর্ণ। চারদিক যেন বিষাক্ত হয়ে উঠেছে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে বেঁচে থাকা দায়, বাতাসে ভেসে আসছে দুর্গন্ধ। এ যেন এক ভিন্ন শহর, ভিন্ন গ্রাম। সবকিছু হঠাৎ করেই বড্ড অচেনা। এমন পরিবেশেও মানুষ টিকে আছে। বানের স্রোতে ভেসে গেছে ঘরবাড়ি। একই স্রোতে ভেসে এসেছে নোংরা আবর্জনা, পানি কমে গেলেও পড়ে রয়েছে আনাচে–কানাচে, দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে চারপাশে। নিশ্বাস নেওয়া ভীষণ কষ্টের হয়ে উঠেছে।

লেখা: সভাপতি, প্রথম আলো বন্ধুসভা সিলেট

কার্যক্রম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন