স্বীকৃতি পেল ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভা

বিজ্ঞাপন
default-image


৫ ডিসেম্বর ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ক্লাব ফেস্ট ২০১৯’। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাবগুলোর সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান এটি। প্রতিটি ক্লাবেরই বিভিন্ন ধরনের আয়োজন ছিল দিনটিকে ঘিরে।
সারা বছর কোন ক্লাব কী কাজ করেছে, কোন ক্লাব সবচেয়ে বেশি ভালো কাজের সাথে জড়িত ছিল, ক্লাব ফেস্টে কোন ক্লাবের আয়োজন কেমন ছিল—এসবের ওপর ভিত্তি করে সেরা তিনটি ক্লাবকে সম্মাননা দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮টি ক্লাবকে পেছনে ফেলে সেরাদের তালিকায় উঠে এসেছে ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভার নাম। বাকি দুটি ক্লাব হচ্ছে ভলেন্টিয়ার সার্ভিস ক্লাব ও সোশ্যাল বিজনেস স্টুডেন্টস ফোরাম। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত ক্লাব ফেস্টেও সেরা ক্লাব হয়েছিল ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভা।
ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভা চলতি বছর ভিন্নধর্মী ও চমকপ্রদ কাজ করে বিচারকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে ‘প্রযুক্তির হাতেখড়ি-গফরগাঁও পর্ব’, অবহেলিত শিশুদের সাপ্তাহিক কম্পিউটার শিক্ষার ক্লাস ‘তাদের পাশে আমরা’, শ্রমজীবী মানুষদের হয়ে কাজ করা ‘আজ তোমাদের ছুটি’ ও ‘একটি করে রঙিন জামা’।
ক্লাব ফেস্টে বন্ধুসভার স্টলটিও ছিল দেখার মতো। গ্রামীণ মেলার আদলে স্টলটি সাজানো হয়, যার নাম দেওয়া হয় বন্ধুমেলা। স্টলে ছিল পুতুল নাচ, বায়োস্কোপ, গ্রামীণ মেলার সামগ্রী, জোকার, ম্যাজিশিয়ান, সাপুড়েসহ অনেক কিছু। স্টলটি সাধারণ শিক্ষার্থীদের মুগ্ধ করে।

default-image


এ বছর ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভা থেকে বিদায় নেওয়া সভাপতি মারুফ ইসলাম, সহসভাপতি সৌরভ আহমেদ ও প্রণব কুমার রায় এবং সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম রিফাতকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিশেষ সম্মাননা ও উত্তরীয় প্রদান করা হয়। সেরা ক্লাবকে দেওয়া হয় ট্রফি ও সার্টিফিকেট।
বন্ধুসভার বন্ধুরা মনে করেন, পরপর দুবার এই পুরস্কার শুধু ড্যাফোডিল স্থায়ী ক্যাম্পাস বন্ধুসভার জন্যই নয়, সারা দেশের বন্ধুসভার জন্যই গৌরবের।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন